সন্ধান

অবশেষে সাসপেন্ড কুণাল ঘোষ

দীর্ঘ টালবাহানার পর রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষকে সাসপেন্ডের কথা ঘোষণা করল তৃণমূল। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য এই সাংবাদিক-সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আজ শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের সামনে রাজ্যসভার সাংসদ কুণালকে সাসপেন্ডের কথা ঘোষণা করেন পার্থবাবু। তিনি বলেন দলের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। কেউই দলীয় শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে নয়। দলকে হেয় করেছেন, শৃঙ্খলা ভেঙেছেন কুণাল। তাই তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। ছোট কর্মী হোক বা বড় কর্মী সবাই সমান। দলীয় শৃঙ্খলারক্ষার ব্যাপারে কোনও আপস নয়। সাংবাদিক-সাংসদ কুণাল ঘোষকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। দলের এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে আজই কুণালবাবুকে চিঠি দেওয়া হবে। ২৭ সেপ্টেম্বর দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিতে সর্বসম্মত ভাবে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

আজ বিকেলে কুণালবাবুকে সাসপেন্ড করার পরই বিধাননগর কমিশনারেট থেকে পুলিশ গিয়ে সারদা মিডিয়া গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট সোমনাথ দত্তকে গ্রেফতার করে। সারদাকাণ্ডের ৩৪ নম্বর মামলার অভিযুক্ত হিসেবে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ক্লিক করুন ও দেখুন ভিডিও: তৃণমূলের কুণাল বর্জন

প্রসঙ্গত, সারদাকাণ্ডে কুণালের নাম জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই শুরু হয় জল্পনা। সম্প্রতি চিটফান্ডের সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের জড়ির থাকার অভিযোগ তোলেন কুণাল। সেই সঙ্গে নিজেকে নির্দোষ বলে তিনি দাবি করেন, দলের স্বার্থে তাঁকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে। কুণালের মন্তব্যের জেরে অস্বস্তিতে পড়ে দল। তাঁকে শো-কজ করা হয়। তারপরও একের পর এক তোপ দাগতে থাকেন কুণাল। স্বাভাবিক ভাবেই গোটা ব্যাপারটি ভাল চোখে দেখেনি দল। প্রশ্ন অন্য নেতাদের আড়াল করতে না কি দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, না কি শুধুই কুণালের ডানা ছাটতে এই সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল? দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকাশ্য মঞ্চে দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন দুই সাংসদ তাপস পাল ও শতাব্দী রায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, সাসপেন্ড হয়ে কুণালবাবু এখন কি করেন সেটাই দেখার?

"ক্লিক করুন ও দেখুন কুণালবাবু খুন হওয়ার চক্রান্ত নিয়ে কি বলেছিলেন কয়েকদিন আগে?"

দেখুন আরও খবর: অধীরের গ্রেফতারি পরোয়ানা, প্রতিবাদ জেলায়